বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন

এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: সম্পদে ভারত তথা এশিয়ার শীর্ষ ধনী রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেললেন স্বদেশি শিল্পপতি আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্লুমবার্গের বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী- ভারতীয় এই শতকোটিপতির মোট সম্পদের পরিমাণ ১১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এনডিভির খবরে বলা হয়েছে, হিন্ডেনবার্গ ধাক্কা কাটিয়ে প্রায় দীর্ঘ ১৭ মাস পর আবারও ভারতের শীর্ষ ধনীর মুকুট উঠলো গৌতম আদানির মাথায়। ১১১ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি নিয়ে আদানিই এখন ভারত তথা এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তি। অপরদিকে মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৯ বিলিয়ন ডলারে।

ব্লুমবার্গের তালিকায় ১১১ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থান করছেন গৌতম আদানি, যা এশিয়া ও ভারতের মধ্যে প্রথম। অন্যদিকে মুকেশ আম্বানি এই তালিকায় ১২তম স্থানে রয়েছেন। তার সম্পত্তির পরিমাণ ১০৯ বিলিয়ন ডলার। তিনি বর্তমানে ভারত তথা এশিয়ার দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি।

শুক্রবার মার্কিন বিনিয়োগ বিষয়ক সংস্থা জেফারিজ আদানি গোষ্ঠীর ওপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদনে আদানি গোষ্ঠীর ব্যবসা সম্প্রসারণের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এমন খবরে শেয়ার বাজারে সাড়া ফেলে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদে যুক্ত হয় ১ দশমিক ২৩ লাখ কোটি রুপি। এই কারণে মুকেশ আম্বানিকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছেন গৌতম আদানি।

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশ পাওয়া হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের জেরে বিধ্বস্ত হয়েছিল আদানি সাম্রাজ্য। বিশ্ব ধনী তালিকার চতুর্থ স্থান থেকে সরাসরি ৩০ নম্বরে ছিটকে গিয়েছিলেন এই ধনকুবের। যদিও বড় ধাক্কা কাটিয়ে এক বছরের মধ্যেই ফের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন গৌতম আদানি।

গুজরাটকেন্দ্রিক আদানি গ্রুপ মূলত বন্দর সংক্রান্ত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হলেও এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে শাখা বিস্তার করেছে। চলতি মাসেই আদানি গোষ্ঠী ইস্পাত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবসায়ে বিনিয়োগে মনোযোগী হয়েছে।

এদিকে আম্বানির রিলায়েন্সও গুজরাটে বড় বিনিয়োগ করতে চলেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিজ রাজ্য গুজরাটে মোট প্রায় ছয় লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগের জন্য সমঝোতাপত্র সই করেছে রিলায়েন্স গোষ্ঠী। ১০০ গিগাওয়াটের অপ্রচলিত বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং হাইড্রোজেন শক্তি উৎপাদন সংক্রান্ত ব্যবস্থা গড়তে চায় তারা। এ ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ, ব্যাটারি স্টোরেজসহ চারটি কারখানা তৈরিতেও বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করবে রিলায়েন্স।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com